এত পড়াশুনা করে কি লাভ,অনেক চেষ্টায়ও মেলেনি চাকরি,তাই লাইভে এসে স্নাতকসহ সব সার্টিফিকেট ছিঁড়ে ফেললেন যুবক! দেখুন ভিডিও

লেখাপড়া শেষ করে অনেক চেষ্টার পরও চাকরি না পেয়ে অবশেষে স্নাতকসহ সব একাডেমিক সার্টিফিকেট ছিঁড়ে ফেলেছেন বাদশা মিয়া (৩১) নামে এক যুবক।

নীলফামা'রীর ডিমলায় সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফে'সবুক লাইভে নিজের শিক্ষাজীবনে অর্জিত সব একাডেমিক সার্টিফিকেট ছিঁড়ে ফেলেন তিনি।

সূত্র জানায়, বাদশা মিয়া উপজে'লার বালাপাড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ সুন্দর খাতা গ্রামের মহুবার রহমানের ছেলে। অভাবের সংসারে ছয় ভাই-বোনের মধ্যে তিনি সবার বড়। ২০১৪ সালে তিনি নীলফামা'রী সরকারি কলেজ থেকে পদার্থবিজ্ঞানে স্নাতক সম্পন্ন করেন। তবে অর্থের অভাবে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করতে পারেননি। বাদশা ২০০৭ সালে জিপিএ ৩.৯২ পেয়ে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে দাখিল, ২০০৯ সালে জিপিএ ৪.০৮ পেয়ে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে আলিম এবং ২০১৪ সালে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে জিপিএ ৪.০০ এর মধ্যে ২.৬৬ জিপিএ নিয়ে স্নাতক সম্পন্ন করেন।

বাদশা এক ভিডিওতে বলেন, আসলে আমা'র ভাগ্যটাই খারাপ! কত মানুষ ভুয়া সার্টিফিকেট নিয়া করে খাচ্ছে। আর আমি এত সার্টিফিকেট নিয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরেও একটা সরকারি বা বেসরকারি চাকরি জোটাতে পারিনি। সার্টিফিকেট অনুযায়ী সরকারি চাকরির বয়স শেষ, এখন এগু'লো রেখে লাভ কী? বয়স থাকতেই তো চাকরি জোটাতে পারিনি।

বাদশা আরও বলেন, আমা'র বাবা খেয়ে না খেয়ে আমাকে লেখাপড়া শিখিয়েছেন। বাড়িতে বৃ'দ্ধ বাবা-মা ও ছোট ভাই-বোনদের মুখের দিকে তাকাতে পারি না। বর্তমান সমাজে সবচেয়ে অসহায় হচ্ছে মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের শিক্ষিত ছেলেরা। এরা না পারে চাকরি জোটাতে, আবার অর্থের অভাবে না পারে ব্যবসা-বাণিজ্য করতে।
বাদশার বাবা মহুবার রহমান জানান, চাকরির বয়সসীমা শেষ হওয়ায় বেশ কিছুদিন ধরে 'হতাশায় ভুগছেন বাদশা। দিনে দিনে 'হতাশা বেড়ে যাওয়ায় তিনি তার একাডেমিক সার্টিফিকেটগু'লো কাউকে না জানিয়ে ছিঁড়ে ফেলেছেন। বি'ষয়টি ফে'সবুকে আলোচিত হচ্ছে।

ভিডিওটী দেখতে ক্লিক করুন এখু'নি

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*