মেয়েকে সত্য বলে দিলেন মাতাল বাবা, বেরিয়ে এলো আসল কাহিনি

ডিজিটাল পোস্টারের সহায়তায় দীর্ঘ নয় বছর নিজের পরিবারকে খুঁজে বের করেছেন অ'পহৃত এক কিশোরী। এ ঘটনায় অ'পহরণ করা ব্যক্তিকে আট'ক করেছে পু'লিশ।
এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৩ সালের ২২ জানুয়ারি সকালে মুম্বাইয়ের আধারি পাড়ায় ভাইয়ের স'ঙ্গে স্কুলে যান সাত বছরের পূজা। সেখানে হে'নরি জোসেফ ডিসুজা নামক ব্যক্তি তাকে আইসক্রিম খাওয়ার প্রস্তাব করেন এবং অ'পহরণ করে নিয়ে যান।

পু'লিশের কাছে আট'ক জোসেফ জানান, তিনি ও তার স্ত্রী নিঃসন্তান থাকায় পূজাকে তিনি অ'পহরণ করেছিলেন। যখন পূজা নিজের ব্যাপারে কোনো কিছু মনে করতে পারছিল না তখন হে'নরি কর্নাটকের একটি হোস্টেলে পূজাকে পাঠান। তার পরিবর্তন করে রাখা হয় অ্যানি ডিসুজা। যখন হে'নরি দম্পতির একটি সন্তান জন্মগ্রহণ করে দখন তারা পূজাকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনেন।

জানা গেছে, হোস্টেল থেকে ফিরিয়ে আনার পর পূজাকে দিয়ে ঘরের সব কাজ করাতেন হে'নরি জোসেফ ডিসুজা। একইস'ঙ্গে তার স'ঙ্গে খারাপ আচরণ করতে ঐ দম্পতি। একদিন ম'দপ্য হে'নসি পূজাকে জানান, তিনি তাদের সন্তান নন। তখন ১৬ বছরের পূজা তার পরিবার সম্পর্কে কিছুই মনে করতে পারছিলেন না। তবে তিনি তার বাড়ি থেকে ১০০ শত মিটার দূরেই বসবাস করছিলেন। এরপরই পূজা নিজেকের অতীত খুঁজতে শুরু করেন।

অ্যানি ওরফে পূজা এবং তার বন্ধু ‘পূজা মিসিং’ নাম দিয়ে ইন্টারনেটে খুঁজতে থাকেন। অবশেষে তারা ২০১৩ সালের একটি নিখোঁজ বিজ্ঞ'প্তির একটি পোস্টার পান। পোস্টারে পাঁচজনকে শনাক্ত করা হয়।। এদের মধ্যে রফিক নামের একজন তাদের পাড়ায় কাজ করছিলেন। রফিককে ফোনে বিস্তারিত বলেন পূজা। পরে রফিক ভিডিও কলে কথা বলেন এবং পূজাকে চিহ্নিত করেন। পরে পূজা ও তার মায়ের একটি ভিডিও কল আয়োজন করেন রফিক। সেখানে মেয়েকে চিহ্নিত করেন মা। মোবাইলের স্ক্রিনে একে অ'পরকে দেখার পর তারা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

এরপরই স্থানীয় পু'লিশকে বি'ষয়টি জানানো হয় এবং পরিবারের স'ঙ্গে পূজার মিলিত হওয়ার সময় পু'লিশ উপস্থিত থেকে পরিবারের পুনর্মিলনের সাক্ষী হয়। দীর্ঘদিন পরিবার থেকে বিচ্ছিন'্ন থাকার সময় বাবাকে হারান পূজা। এখন মা ও ভাইয়ের স'ঙ্গে পরিবারকে ফিরে পাওয়ার সুখ ভাগাভাগি করছেন। সিনিয়র পু'লিশ কর্মকর্তা মিলিন্ড কুরডের বলেন, হোনরিকে অ'পহরণ ও শিশু শ্রমের আইনে গ্রে'ফতার করা হয়েছে। মা'মলায় হিনরির পাশাপাশি তার স্ত্রীকে আ'সামি করা হয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*